Posts Tagged ‘ পুঁজিবাদ ’

যে ম্যাচটা নাড়িয়ে দিয়েছিল ইউরোপের মনোজগত

১৯৫৩ সালের ২৫ নভেম্বর। ফুটবলের তীর্থস্থান ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল তৎকালিন ইউরোপিয়ান ফুটবলের দুই পরাশক্তি ইংল্যান্ড ও হাঙ্গেরি। সেসময় ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড ছিল অদম্য। ইউরোপের কোনো দেশই ইংল্যান্ডে গিয়ে তাদেরকে হারাতে পারেনি। অপরদিকে ‘মারভেলাস ম্যাগিয়ার্স’ নামে খ্যাত হাঙ্গেরি ছিল অবধ্য। টানা তিন বছর ধরে তারা ছিল অপরাজিত। হাঙ্গেরি আর ইংল্যান্ডের এই লড়াইটা বিশ্ব গণমাধ্যমে পরিচিত পেয়েছিল ‘শতাব্দীর সেরা ম্যাচ’ হিসেবে। তবে শুধু ফলাফল বা মাঠের পারফরম্যান্সের জন্যই ম্যাচটা স্মরণীয় না। ৬০ বছর আগের এই লড়াইটা নাড়িয়ে দিয়েছিল ইউরোপের মনোজগত। চূর্ণ করেছিল সাম্রাজ্যের অহঙ্কার আর নিপীড়িত মানুষের মনে জাগিয়েছিল স্বাধীন হওয়ার স্বপ্ন।

1953

ম্যাচ শুরুর আগে অধিনাক বিলি রাইট, স্ট্যানলি ম্যাথুউ, আলফ রামসেসহ অন্যান্য ইংলিশ খেলোয়াড়রা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে ছিলেন প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী। ইংলিশ সাম্রাজ্যের মতো তাঁরাও তখন আছেন নিজেদের সর্বোচ্চ শিখরে। নভেম্বরে এই ম্যাচটির কয়েক মাস আগেই ইংল্যান্ড পরিচালিত অভিযাত্রায় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় উঠেছেন এডমুন্ড হিলারি। তার কিছুদিন পরেই রাজ্যাভিষেক হয়েছে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের। পুরো ইংল্যান্ড জুড়েই তখন বইছে সাম্রাজ্য দাম্ভিকতার হাওয়া। ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশের শাসন ছেড়ে দিতে হলেও সেসময় আফ্রিকার একটা বড় অংশ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের দখলে।

অপরদিকে হাঙ্গেরির অবস্থা পুরোপুরিই ভিন্ন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে দেশটি বেশ কয়েক বছর ধরেই পার করছিল দুর্বিসহ সময়। জার্মানির নাৎসি শাসন থেকে মুক্ত হতে না হতেই আবার পড়তে হয়েছিল স্টালিনের সোভিয়েত শাসনের খপ্পরে। হাঙ্গেরির তৎকালিন রাষ্ট্রপতি কমিউনিস্ট নেতা রাকোস্কি, স্টালিনের আদর্শে কায়েম করেছিলেন একটা পুলিশি রাষ্ট্র। সোভিয়েত সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ উপস্থিতিও ছিল পূর্ব ইউরোপের দেশটিতে। হাজার হাজার হাঙ্গেরিয়ানকে পাঠানো হয়েছিল জেলে বা কনসেনন্ট্রেশন ক্যাম্পে। হাঙ্গেরি ও সোভিয়েত সরকারের কাছে খেলাধুলা, বিশেষত ফুটবলটা ছিল কমিউনিজমের আদর্শ প্রতিষ্ঠার লড়াই। হাঙ্গেরির জাতীয় দল ছিল পুরোপুরি সরকারের কর্তৃত্বাধীন। সেসময়ের কোচ গুসতাভ সেবেস ছিলেন সরকারের একজন সদস্য। তিনি বলেছিলেন, ‘পুঁজিবাদ ও কমিউনিজমের লড়াইটা শুধু আমাদের সমাজেই না, চালাতে হবে ফুটবল মাঠেও।’
চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে একটা ম্যাচে হারের পর আজীবনের জন্য বহিস্কার করা হয়েছিল হাঙ্গেরির অধিনায়ক ফেরেঙ্ক পুসকাসকে। তাঁর বিরুদ্ধে আনা হয়েছিল ‘মাঠে গা ছেড়ে দিয়ে খেলার’ অভিযোগ। কয়েক মাস পরে অবশ্য ক্ষমাও করা হয়েছিল। কারণ হাঙ্গেরিকে ফুটবল জগতের শিখরে নিয়ে যাওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল এই বাম পায়ের জাদুকরের। শতাব্দীর সেরা ম্যাচটা ইংল্যান্ড হেরেওছিল কিংবদন্তি এই ফুটবলারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে।

Soccer - World Cup Switzerland 54 - Final - Hungary v West Germany
হাঙ্গেরি আর ইংল্যান্ডের ম্যাচটা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে এক ইংলিশ ধারাভাষ্যকার পুসকাসকে দেখে বলেছিলেন, ‘ছোট, বেঢপ খেলোয়াড়’। তাদের তখন বিন্দুমাত্রও ধারণা ছিল না যে এই ছোট্ট মানুষটাই কিভাবে তাদের তারকা ফুটবলাদের জীবন দুর্বিসহ করে দেবে। খেলা শুরুর ৪৫ সেকেন্ড পরেই ইংল্যান্ড হজম করেছিল প্রথম গোলটা। ২৭ মিনিট পরেই স্কোর: হাঙ্গেরি ৪ : ০ ইংল্যান্ড। পরের দুইটি গোলই করেছিলেন পুসকাস। তাঁর দ্বিতীয় গোলটা এখনো ফুটবল বিশ্বে বিখ্যাত হয়ে আছে ‘ড্রাগ ব্যাক গোল’ নামে।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৭ মিনিট পরে হাঙ্গেরি এগিয়ে ছিল ৬-৩ গোলে। বাকি ৩৩ মিনিটে তারা আরও তিন-চারটা গোল অনায়াসেই দিতে পারত। কিন্তু ম্যাচটা শেষ হয় ঐ ৬-৩ গোলের ব্যবধানেই। লজ্জাজনক এই হারের পর ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার সিড ওয়েন হতাশ কণ্ঠে বলেছিলেন, ‘মনে হচ্ছিল আমরা অন্য গ্রহের মানুষের সঙ্গে খেলছি।’
ওয়েম্বলির এই ম্যাচ ভেঙ্গে দিয়েছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের দম্ভ। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতনের শুরুর সময় হিসেবেও ৫০-এর দশকের শুরুকেই ইঙ্গিত করেন ইতিহাসবিদরা। এই একটা ম্যাচের কারণেই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতনের শুরু হয়েছিল এটা বলাটা হয়তো বাড়াবাড়িই হয়ে যাবে কিন্তু ইংলিশদের শ্রেষ্ঠত্বের অহঙ্কারে সত্যিই নাড়া দিয়েছিল এই হারটা। সাম্রাজ্যের পতন হয়েছিল তখন, যখন ইংল্যান্ডের নাগরিকরা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব-অপরাজেয়ত্বের ওপর আর বিশ্বাস রাখতে পারেননি। কয়েক মাস বাদে ইংল্যান্ড ফুটবল অঙ্গনের পরিস্থিতিটা হয়েছিল আরও করুণ। ১৯৫৪ সালের মে মাসে হাঙ্গেরির মাঠে গিয়ে ইংল্যান্ড হেরেছিল ৭-১ গোলের ব্যবধানে। এটাই তাদের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের রেকর্ড। অল্প কয়েকদিনের ব্যবধানে টানা দুইটি হারের ফলে দুনিয়া সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে বাধ্য হয়েছিল ইংলিশরা।
ফুটবলের আবিষ্কারক হিসেবে ইংল্যান্ডের ধারণা ছিল খেলাটার প্রতি স্বাভাবিকভাবেই তাদের দখল অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি। বাইরের কোনো দেশের খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলাটাকেও একসময় তারা নিজেদের মর্যাদার জন্য হানিকর বলেই ভাবত। ১৯৫০ সালের আগে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপেও অংশ নেয়নি। কিন্তু নাক উঁচু ইংলিশদের বাস্তবতার মাটিতে নামিয়ে এনেছিল হাঙ্গেরি। ইংলিশ ফুটবলে এসেছিল আমূল পরিবর্তন।
১৯৫৪ সালের আগ পর্যন্ত ইংল্যান্ড ফুটবল দল খেলত বহুদিনের পুরোনো ডব্লিউএম ফরম্যাটে (৩-২-২-৩)। হাঙ্গেরির কাছে হারের পর প্রথমবারের মতো কৌশল পরিবর্তনেও বাধ্য হয় ইংল্যান্ড। বিদেশি ফুটবলারদের বিপক্ষে আরও বেশি করে খেলার ওপরও জোর দিয়েছিলেন অনেকে। হাঙ্গেরির খেলার ধরন, কোচিং পদ্ধতি অনুসরণ করেছিল লিভারপুল, টটেনহাম ও ওয়েস্টহামের মতো ইংলিশ ক্লাবগুলোও।
ইংল্যান্ডের জ্যাত্যাভিমান যখন ধুলোয় লুটিয়েছে, তখন হাঙ্গেরির কমিউনিস্ট শাসকরা মেতেছেন বিজয়োল্লাসে। তাদের দৃষ্টিতে এটা ছিল কমিউনিস্ট সমাজব্যবস্থারই বিজয়। যদিও এই দৃষ্টিভঙ্গিটাও ছিল নিছকই ভ্রান্তধারণা। পুসকাসদের ইংল্যান্ড বধের কীর্তিটা আসলে রচনা করেছিল হাঙ্গেরির নিপীড়িত মানুষের অভ্যুত্থানগাথা। তাদের মনে জাগিয়েছিল অসম্ভবকে সম্ভব করার প্রেরণা। হাঙ্গেরির সাধারণ মানুষ ভেবেছিল যদি আমরা ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডকে হারাতে পারি তাহলে হয়তো দখলদার সোভিয়েত বাহিনীকেও হটিয়ে দিতে পারব। ১৯৫৬ সালের হাঙ্গেরিয়ান বিপ্লবের সঙ্গে ওয়েম্বলির সেই ম্যাচটির প্রত্যক্ষ যোগসূত্র ছিল বলেই দাবি করেছিলেন দেশটির প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক পিটার টিমার। ১৯৯৯ সালে তাঁর পরিচালিত ‘৩-৬’ সিনেমাটিতে দেখানো হয়েছিল, রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর রাজনৈতিক বন্দীদের সঙ্গে কোলাকুলি করে বিজয় উদযাপন করেছিলেন কারাগারের রক্ষীরা। দুই বছর পরে অনেকেই একজোট হয়ে লড়েছিলেন সোভেয়েত ট্যাঙ্কের বিরুদ্ধে।

Hungarian Revolution-C
১৯৫৬ সালের সেই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সোভিয়েত বাহিনীকে হটিয়েও দিয়েছিল হাঙ্গেরির সাধারণ মানুষ। দুঃখের বিষয় বিপ্লবী সেই অভ্যুত্থানটা স্থায়ী হয়েছিল মাত্র কয়েকদিন। হাঙ্গেরি ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও আবার ফিরে এসেছিল সোভিয়েত সেনাবাহিনী। আক্ষরিক অর্থেই গুঁড়িয়ে দিয়েছিল  মানুষের মুক্তিমুখীন আকাঙ্ক্ষা। সেটা ইতিহাসের এক বেদনাময় আর করুণ অধ্যায়।

গাদ্দাফি-অধ্যায়ের অবসান

১৯৬৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রায় ৪২ বছর ধরে তেলসমৃদ্ধ দেশ লিবিয়া শাসন করেছেন মুয়াম্মার গাদ্দাফি। এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দানা বাঁধতে শুরু করার পর প্রতিটি ঘর খুঁজে খুঁজে বিদ্রোহীদের দমন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন এই স্বৈরশাসক। কিন্তু এই হুমকিতে দমে না গিয়ে গাদ্দাফি সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক প্রতিরোধ শুরু করে বিদ্রোহীরা। টানা সাত মাসের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংঘর্ষের পর পতন ঘটে গাদ্দাফি সরকারের। লিবিয়া পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ (এনটিসি)। এর পর থেকেই লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান গাদ্দাফি। তাঁর জন্মশহর সারতে গাদ্দাফি বাহিনী ও বিদ্রোহীদের তুমুল লড়াইয়ের মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার তিনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে এনটিসি।

১৯৪২ সালে সারতের উপকূলীয় অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন গাদ্দাফি। বেনগাজি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূতত্ত্ব বিভাগে ভর্তি হলেও পরে সেনাবাহিনীতে যোগদানের জন্য পড়াশোনায় ইতি টানেন তিনি। ১৯৬৯ সালে মাত্র ২৭ বছর বয়সে রক্তপাতহীন এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতা দখল করেন। ইসলামী মূল্যবোধ ও সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধিতার মিশেলে তিনি গড়ে তোলেন তাঁর রাজনৈতিক দর্শন। তিনি তাঁর নতুন প্রণীত এই রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের বিকল্প হিসেবেই বর্ণনা করেছিলেন। তাঁর প্রস্তাবিত ‘ইউনাইটেড স্টেটস অব আফ্রিকা’র ধারণাটা বাস্তবে রূপ না পেলেও ২০০২ সালে আফ্রিকান ইউনিয়ন গঠনে বেশ ভালোই প্রভাব রেখেছিল। ২০০৯-২০১০ সাল পর্যন্ত এই ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন গাদ্দাফি।

নিজ দেশে ভিন্নমতাবলম্বীদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য কুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন এই সামরিক স্বৈরশাসক। তাঁর শাসনামলে হাজার হাজার লোককে মৃত্যুদণ্ড ও কারাগারে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ মানবাধিকার সংস্থাগুলোর।

পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে বরাবরই বৈরীভাবাপন্ন ছিলেন মুয়াম্মার গাদ্দাফি। কলম্বিয়ার ফার্ক বা আয়ারল্যান্ডের আইআরএর মতো ‘সন্ত্রাসী’ চিহ্নিত অনেক সংগঠনকে সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আছে তাঁর বিরুদ্ধে। ১৯৮৬ সালে বার্লিনের একটি নাইট ক্লাবে বোমা হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ত্রিপোলি ও বেনগাজিতে বোমা হামলা চালালে ৩৫ লিবীয় নাগরিক নিহত হয়। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি রোনাল্ড রিগান গাদ্দাফিকে অভিহিত করেছিলেন ‘পাগলা কুকুর’ হিসেবে। ১৯৮৮ সালে লকারবিতে একটি বিমানে বোমা হামলার জন্য দায়ী করা হয় গাদ্দাফিকে। অনেক বছর ধরে তা অস্বীকার করলেও ২০০৩ সালে এই হামলার দায়দায়িত্ব স্বীকার করে গাদ্দাফি সরকার।

২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তৃতা করতে গিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে আল-কায়েদার মতোই সন্ত্রাসী সংগঠন বলে উল্লেখ করেন গাদ্দাফি। সেই সঙ্গে আফ্রিকার ঔপনিবেশিক শাসকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসেবেও দাবি করেন তিনি। ২০১০ সালে ইতালি সফরে গিয়ে হাজার হাজার তরুণীকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পরামর্শ দিয়েও তিনি বেশ আলোচিত হয়েছিলেন। চলতি বছরে তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু হওয়ার পর তিনি এটাকে আল-কায়েদা ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করেন। বিদ্রোহীরা ত্রিপোলি দখল করার আগে তাঁর শেষ ভাষণে তিনি এই বিদ্রোহকে লিবিয়া ধ্বংসের জন্য আল-কায়েদা ও পশ্চিমা বিশ্বের যৌথ কারসাজি বলে উল্লেখ করেছিলেন। আল-জাজিরা।